May 18, 2024
আলকুশি বীজের উপকারিতা ও অপকারিতা এবং খাবার নিয়ম ।

 আজকে আলোচনার বিষয় হচ্ছে আলকুশি বীজের উপকারিতা ও অপকারিতা  এবং খাবার নিয়ম । নিঃসন্দেহে  আলকুশি গাছ একটি ঔষধি গাছ .। আজকে আলকুশি গাছের গুনাগুন সম্পর্কে এবং এটি কি কি কাজে  ব্যবহৃত হয় সেই সম্পর্কে আলোচনা করব । মূলত এই গাছটিতে রয়েছে ইনফ্লামেটরি এবং এন্টিঅক্সিডেন্ট,এছাড়া রয়েছি আন্টি ব্যাকটেরিয়াল এবং এন্ট্রি ফাংগাল বৈশিষ্ট্য । তাই চলুন দেখে নেয়া যাক । 

আলকুশি বীজের উপকারিতা 

  • হজম শক্তি বৃদ্ধিতে আলকুশি বীজের গুরুত্ব অনেক । এছাড়াও পেট ফাঁপা গ্যাস এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের মত সমস্যাগুলো দূর করতে এটি ব্যবহার করা হয় । 
  • আলকুশি বীজ  গুরুপ করে খেলে এটি পাকস্থলের এসিডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ রাখতে সাহায্য করে ।
  • সর্দি কাশি বা আমাশয়ের ক্ষেত্রে এটি খুব ভালো কাজ করে ।  আমারশায়ের ক্ষেত্রে এটি অনেক বেশি কাজ করে । 
  • ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ রাখতে এই বীজের উপকারিতা অপরিহার্য ।  কেননা এই বীজ  শরীরের রক্তে শর্করা মাত্র নিয়ন্ত্রণ রাখে । এছাড়াও এই ইনসুলিনের কার্যকারিতা উন্নতি সাধন করে । 
  • এই বিষদ্র প্রতিরোধ করতে ।  উচ্চ রক্তচাপ এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে । 
  • এর সবথেকে বড় গুণাগুণ হচ্ছে আলকুশি বীজের দুর্দান্ত এন্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে । যা কোষের ক্ষতি থেকে কোষ কে রক্ষা করে । 

এছাড়াও আলকুশি বীজের কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া রয়েছে বা অপকারিতা রয়েছে । এবার আসুন জেনে নেয়া যাক কি সে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে পারে শরীরের মধ্যে । তবে অনেকে রয়েছে যারা আলকুশির বীজকে অনেক নিরাপদ বলে মনে করে । চলুন তাহলে এবার দেখে নেই এই বীজের পার্শ্ব- প্রতিক্রিয়া কি কি হতে পারে 

আলকুশি বীজের অপকারিতাঃ

  • বমি বমি ভাব হতে পারে । 
  • আবার বমিও হতে পারে । 
  • এছাড়াও ডাইরিয়া বা পানি বা পানিবাহিত রোগ হতে পারে । 
  • ত্বকের সমস্যাও হতে পারে , যেমন চুলকানি ।

উপরের যেসকল সমস্যার কথা বলা হয়েছে সেই সকল সমস্যা যদি আপনার মধ্যে দেখা দেয় তাহলে অবশ্যই ডাক্টারের সাথে পরামর্শ করতে হবে । কেননা এছাড়াও অন্যান্য সমস্যাও দেখা দিতে পারে । তাই পরামর্শ করা ভাল । অনেক যুগ থেকে এর ব্যবহার হয়ে আসছে । আগেকার মানুষ বিভিন্ন রোগে তারা এই সকল নানা গাছ-গাছরার ডাল-পালা , মূল-শেকড় থেকে ওষুধ বানিয়ে খেত ।  তাই এবার আসুন দেখে নেই এই বীজ খাওয়ার নিয়ম । 

আরও পড়ুন

আলকুশি বীজ  খাওয়ার নিয়মঃ

মানুষ এই বীজ কে অনেক আগে থেকে ব্যবহার করে আসছে । যুগ যুগ থেকে এই বীজের উপকারিতা সর্ম্পকে বলে আসছে । এখ্নো অনেক মানুষ বিভিন্ন রোগে এর বীজ ব্যবহার করে আসছে । এই বীজ বিভিন্ন ভাবে খাওয়া যেতে পারে যেমন, চা, কফি বা দুধের সাথে যোগ করে খাওয়া যেতে পারে । এছাড়াও এটি মসলা হিসাবে খাবারে ব্যবহার করতে পারেন । তরি-তরকারিতে এক প্রকার মসলা হিসাবে খাওয়া যেতে পারে । 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *