May 24, 2024
ঘন ঘন প্রস্রাব হলে কি ওষুধ খাওয়া উচিত । ঘন ঘন প্রস্রাব হলে কি খাওয়া উচিত ।

ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়ার বিভিন্ন রকম কারণ রয়েছে  ।  প্রথমত আপনাকে জানতে হবে যে আসলে প্রসাবের মধ্যে কোন ইনফেকশন বা জ্বালাপোড়া  রয়েছে  কিনা । আজকে আপনাদের ঘনঘন প্রস্রাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব আসুন দেখে নেই সে বিষয়গুলো , ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়ার কারণ ? ঘন ঘন প্রস্রাব হলে কি খাওয়া উচিত ? ঘন ঘন প্রস্রাব হলে কি ওষুধ খাওয়া উচিত? ঘন ঘন প্রসাব থেকে মুক্তির ঔষধ ?

আজকে এই তিনটে বিষয়ের উপর আলোচনা করব ।  বর্তমানে ঘন ঘন প্রস্রাবের এই সমস্যাটি দিন দিন বেড়েই চলছে বৃদ্ধ থেকে শুরু করে যুবক ছেলেদের পর্যন্ত এই সংসারী দেখা দিচ্ছে ।  তাই আসুন দেখে নেয়া যাক সকল সমস্যা থেকে কিভাবে রেহাই পাওয়া যায় , সেই সম্বন্ধে নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে । 

ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়ার কারণঃ

সাধারণত ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়ার মূল কারণ হচ্ছে অতিরিক্ত পরিমাণে পানি খাওয়া । এছাড়াও যদি সেই ব্যক্তিটি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হয় তাহলে তার ঘন ঘন  প্রস্রাব হতে পারে । সাধারণত ডায়বেটিস রোগীদের রক্তে শর্করা মাত্রা বেশি থাকে । এটি মূত্রাশয়ের উপর চাপ সৃষ্টি করে এবং ঘন ঘন প্রস্রাবের হয় । এছাড়াও মূত্র সহে যদি সংক্রমণ আক্রমণ করে তাহলেও ঘন ঘন প্রস্রাব হয় ।

আরও পড়ুন

এ সকল সংক্রমণের কারণে মূত্রাশয়ের পেশি গুলোকে উত্তেজিত করে এবং ঘন ঘন প্রস্রাবের চাপ দেয় । এরপর কিডনি জাতীয় সমস্যার কারণে মূত্রের প্রবাহকে প্রবাহিত করে এবং ঘন ঘন প্রস্তাবের কারণ হতে পারে ।  আবার কিছু কিছু ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার কারণে এই সমস্যাটি হতে পারে । তাই এবার আসুন জেনে নেয়া যাক ঘন ঘন প্রস্রাব হলে কি খাওয়া উচিত ।  মূলত আপনার প্রস্রাব যদি স্বাভাবিক থেকে একটু বেশি হয় তাহলে এমন কতগুলো খাবার আছে যে সকল খাবার খাবার খেলে জ্বর ঘন ঘন প্রস্রাব থেকে রেহাই পাওয়া যায় ।  এ সকল তথ্য তথ্যগুলো নিচে দেওয়া হয়েছে 

ঘন ঘন প্রস্রাব হলে কি খাওয়া উচিতঃ

 সাধারণত এমন অনেকগুলো খাবার হয়েছে যেগুলো খেলে এই ঘন প্রস্রাব থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে তাই চলুন দেখি না যাক সে সকল খাবারগুলো ।. 

  • পানি পান করুন ।  তবে আগের তুলনায় একটু কম পড়তে হবে কেননা পর্যাপ্ত পানি পান করলে আপনার প্রসাবের বেগ বাড়তে পারে ।  প্রতিদিন কমপক্ষে ৮-১০  গ্লাস পানি পান করুন । 
  • এছাড়াও আপনি ডাবের পানি পান করতে পারেন ।  কেননা ডাবের পানির মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে খনিজ লবন এবং ইলেকট্রোলাইট 
  • এরপরের রয়েছে লেবুর শরবত ।  লেবুতে রয়েছে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট । এটি মূত্র স্বয়ের সংক্রমণ রোধে সাহায্য করে । 
  •  এছাড়াও সবুজ শাকসবজি খেতে পারেন । কেননা সবুজ শাক-সবজির মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পানি এবং ফাইবার  । 
  • সর্বশেষ আপনি ফলমূল খেতে পারেন ।  ফলমূলের রয়েছে পানি এবং ভিটামিন ।  যা আপনার  মূত্রাশয়ের সাথে স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী ।
নির্দেশনাঃ

সাধারণত এইসব খাবার খেলে আপনার ঘন প্রসাব থেকে মুক্তি পাওয়ার আশঙ্কা অনেক বেশি থাকে । এ ছাড়া আপনি প্রতিদিন সবুজ শাকসবজি এবং ফলমূল খেতে পারেন । ডায়াবেটিস বা ঘন ঘন প্রস্রাব  হলে যে সকল খাবার থেকে দূরে থাকবেন । 

 সেই সকল খাবার গুলো নিচে দেওয়া হয়েছে দেখে নিতে পারেন ।  তাহলে আসেন এবার দেখে নেয়া যাক ঘন ঘন প্রস্রাব হলে কি ওষুধ খাওয়া উচিত ।  সেই সকল ওষুধ গুলোর একটি তালিকা দেয়া হয়েছে এগুলো শুধু সেবনের মাধ্যমে আপনার ঘনঘন প্রস্রাব  এর সমস্যা থেকে বের হয়ে আসতে পারবেন । 

 ঘন ঘন প্রস্রাব হলে কি ওষুধ খাওয়া উচিতঃ

ঘন ঘন প্রসাব থেকে মুক্তির ঔষধ ।  মূলত এরকম  সমস্যার জন্য অনেক ধরনের ওষুধ সেবন করা যেতে পারে তার মধ্যে কিছু অন্যতম ওষুধ রয়েছে যেগুলোর মাধ্যমে আপনি আপনার ঘন ঘন প্রস্রাব বন্ধ করতে পারবেন ।  তাই চলুন দেখে নেয়া 

এন্টিবায়োটিক ট্যাবলেট 
  • এমোক্সিসিলিন ।
  • অ্যা স্পিসিলিন ।
  • নিফুরাটোইন ।
  • ফলুকোনাজল ।
  • অ্যাজিথ্রোমাইসিন ।

সাধারণত এই সকল ওষুধ খেলেই ঘন ঘন প্রস্তাবের সমস্যা দূর হয়ে যাবে ।  তবে এ সকল ওষুধ সেবন এর আগে অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ দিতে হবে কেননা এই সকল ওষুধের কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ।  সেই পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলো যেন  কোন রোগী ক্ষতি করতে না পারে সেজন্য এখান থেকে বেছে বেছে আপনাকে প্রদান করতে পারে ডক্টর  । 

ডায়াবেটিস রোগী ঘনঘন প্রস্রাব রোগীর জন্য যে সকল খাদ্য খাওয়া বারণ শেষ সকল খাদ্য একটি তালিকা নিম্নলিখিত করা হয়েছে সেই তালিকা টি দেখে নিতে । 

ডায়াবেটিস রোগী ঘনঘন প্রস্রাব রোগীর নিষিদ্ধ খাবার তালিকাঃ
  • অতিরিক্ত পানি পান থেকে বিরত থাকুন । 
  • চা, কফি, পানীয় বা অ্যালকোহল থেকে বিরত থাকুন । 
  • ধূমপান এবং মধ্যপান থেকে বিরত থাকুন ।

 নিয়মিত ব্যায়াম করুন । পর্যাপ্ত পরিমাণে বিশ্রাম নিন । সাধারণত এসব খাদ্য বা অভ্যাস থেকে এই রোগ আরো বৃদ্ধি পেতে পারে তাই এই সমস্ত খাদ্য বা অভ্যাস থেকে বিরত থাকার চেষ্টা করুন ।  এছাড়া উপরে যে সকল দিকনির্দেশনা বা সুদের নাম দেয়া হয়েছে সে সকল খাদ্যগুলো গ্রহণ করুন এবং ওষুধগুলো সেবন করুন ।  তাহলে দেখবেন কিছুদিনের মধ্যে আপনি সুস্থ হয়ে উঠবেন । 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *