May 23, 2024
জন্ডিস হলে কি ঔষধ খাব । জন্ডিসের লক্ষণ । জন্ডিস হলে করণীয় কি

সাধারণত জন্ডিস হলে কি ঔষধ খাব ।  যখন কোন সাধারণ ব্যক্তির জন্ডিস হয় তখন কোন ওষুধগুলো সেবন করলে এই জন্ডিস থেকে মুক্তি পাওয়া যায় সে সকল ওষুধগুলো খুঁজে পাওয়া দুষ্কর ।  তাই আপনাদের জানাবো জন্ডিসের  জটিলতার উপর ভিত্তি করে কোন ওষুধ দিলে সেবন করবেন ।. এছাড়াও জন্ডিস হলে করণীয়,  জন্ডিসের লক্ষণ, জন্ডিস হলে কি করব ,জন্ডিস থেকে বাচার উপায়, ইত্যাদি আরো অন্যান্য বিষয় ।

তাই জন্ডিসের ওষুধ সেবন করার আগে জন্ডিসের তীব্রতা দেখে ওষুধ সেবন করা জরুরী । কেননা জন্ডিস আছে একটি ভাইরাস জনিত রোগ এছাড়াও ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে এটি হতে পারে ।  তাই কোন মাধ্যমে এই জন্ডিস হয়েছে তা আপনাকে নির্ধারিত হয়ে তারপর আপনাকে ঐষধ সেবন করতে হবে । তাহলে চলুন দেখি নেয়া যাক কোন জন্ডিসের কারণে কোন কোন ওষুধগুলো সেরকম করব তা নিচে নিম্নের লিখিত দেওয়া হয়েছে , 

জন্ডিস হলে কি ঔষধ খাবঃ

সাধারণত জন্ডিস ৪ প্রকারঃ ১)  ভাইরাস জনিত জন্ডিস ।

                                           ২) ব্যাকটেরিয়া জনিত জন্ডিস ।

                                           ৩) অটোইমিউন ।

                                           ৪) বিক্রিয়াজনিত জন্ডিস । 

 

সাধারণত যে সকল  ভাইরাস যোনিতে জন্ডিস রয়েছে সেগুলো ওষুধ সেরে যায় । তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে জন্ডিসের লক্ষণের উপর ভিত্তি করে দ্রুত সেরে উঠতে কিছু ঔষধ সেবন করা যেতে পারে ।  তাহলে আসেন দেখে নেই সে সকল ওষুধের নাম গুলো,

  1. প্যারাসিটামল ।
  2. আইবুপ্রোফেন  ।

সাধারণত এই ওষুধটি জ্বর কমানোর ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয় ।  এছাড়াও প্রচুর পরিমাণে তরল পানি পান করা এবং বিশ্রাম নেওয়া জরুরী । 

এছাড়া যদি আপনি ব্যাকটেরিয়ার জনিত জন্ডিস হয় তাহলে আপনাকে এন্টিবায়োটিক ঔষধ সেবন করতে হবে। কেননা ব্যাকটেরিয়া জনিত জন্ডিস হলে এন্টিবায়োটিকের দ্বারা তাদের মূল করতে হবে ।  তবে সকল ওষুধ সেবন করার আগে অবশ্যই ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা জরুরী ।  তে চলুন দেখে নেয়া যাক সেই সকল  ব্যাকটেরিয়া জনিত জন্ডিসের ওষুধের নাম গুলো,

  1. অ্যামোকক্সিসিলিন ।
  2. ক্লোরামফেনিকল ।

ব্যাকটেরিয়া জনিত

রুগির জন্য এ সকল টা হল সেবন করতে হবে ।  যে সকল ব্যাকটেরিয়া জন্ডিসের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে সেই সকল ব্যাকটেরিয়া গুলোকে নির্মূল করতে এ সকল ওষুধ সেবন করতে হবে । 

এরপর আসুন দেখি নেই অটোইমিউন জন্ডিস হলে কোন কোন মাধ্যেমে এটি নির্মূল করা যায় । সাধারণত অটোইমিউন   হলে ইমিউনোসপ্রেসেন্ট দিয়ে চিকিৎসা করা হয় ।  ইমিউনোসপ্রেসেন্ট শরীরের ইমিউন সিস্টেমকে দমন করে যার লিভারের কোড গুলোকে আক্রমণ করেছে  । 

বিক্রিয়াজনিতে জন্ডিস এর জন্য সাধারণত একটি ওষুধ সেবন করতে হবে । এটি সাধারণত বিভিন্ন বিক্রিয়ার মাধ্যমে চিহ্নিত করে এবং সেই অনুযায়ী চিকিৎসা প্রদান করা হয় ।  এর জন্য যে সকল ওষুধ সেবন করবেন তা নিচে লিখিত,

  1. এন্টিডোট ।

বিক্রিয়াজনিত জন্ডিসের জন্য সাধারণত  এই একটি ট্যাবলেট  সেবনের মাধ্যমে নির্মূল করা সম্ভব । এছাড়া আপনি একজন ভালো অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ  নিয়ে ওষুধগুলো সেবন করতে পারেন ।  তাই বলা যায় যে জন্ডিসের তীব্রতার উপর নির্ভর করে এ সকল ওষুধ সেবন করবেন ।   জন্ডিস একটি মারাত্মক রোগ  এ রোগের কারণে অনেকজনই মারা যায় ।  জন্ডিস যখন লিভারে হয় তখন তাকে বাচা অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায় ।  তাই সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে যত দ্রুত পারেন নির্মূল করুন । 

আরও পড়ুন

জন্ডিসের লক্ষণঃ

 সাধারণত আমরা কোন লক্ষণ গুলো দেখলে বুঝতে  পারবো যে এগুলো জন্ডিসের লক্ষণ ।  তাহলে আসুন দেখে নিই কোন কোন লক্ষণের মাধ্যমে আমরা জন্ডিসকে চিনে থাকি ।

  • সাধারণত জন্ডিসের  রোগীদের চোখ এবং ত্বকের হলদে ভাব দেখলে বুঝবো যে এটি জন্ডিসের রোগী । 
  • এছাড়াও যদি প্রসাবের রং গারো হলুদ বা কমলা রঙের হয় ।
  •  এরপর মলের রং হালকা বা সাদা হয় । 
  •  এরপর পেটব্যথা অস্বস্তিকর সৃষ্টি করা ।
  •  এরপর  বমি বমি ভাব ।
  •  এরপর  ক্ষুদা হ্রাস বা ক্ষুদা না লাগা ।
  • ক্লান্তি ক্লান্তি ভাব অনুভব করা ।  ইত্যাদি এ সকল কারন দেখলে ওই ব্যক্তির লক্ষণ দেখা দিয়েছে । 

 তাই যত দ্রুত পারেন চিকিৎসার জন্য ভালো ডাক্তার কে দেখান বা পরামর্শ করুন । 

 এরপর আসুন দেখে নেই, 

জন্ডিস হলে করণীয় কিঃ

  • নিরাপদ যৌনতা অনুসরণ  করতে হবে ।
  • পরিষ্কার খাবার এবং  প্রচুর পরিমাণে নিরাপদ পানি পান করতে হবে ।
  •  টিকা দিতে হবে ।
  •  এরপর হেপাটাইছিস বি  নিয়ন্ত্রণের জন্য আপনার স্বাস্থ্য সেবা প্রদানকারীর সাথে কথা বলুন । 

অবশ্যই মনে রাখবেন এ সকল জন্ডিসের ঔষধ সেবন করার আগে অবশ্যই একজন ভালো অভিজ্ঞ ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে এ সকল ওষুধ সেবন করবেন ।  কারণ আপনি জানেন না আপনার কোন সমস্যাটি আসলে শরীরে প্রবেশ করেছে ।  সমস্যার তীব্রতার উপর নির্ভর করে আপনাকে কোন কোন ওষুধ গুলো খেতে হয় সেটা আপনি না বুঝলেও একজন অভিজ্ঞ ডাক্তার  ঠিকই বুঝবে ।   তাই এ সকল ওষুধ খাওয়ার আগে অবশ্যই অভিজ্ঞ ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা জরুরী । 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *